শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন

বহেড়ার যত ঔষধি গুণাগুণ

আরোগ্য হোমিও হল / ৯৫ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশ কালঃ সোমবার, ৩ জুলাই, ২০২৩, ৫:২০ অপরাহ্ন

বহেড়ার যত ঔষধি গুণাগুণ

বহেড়া একটি ঔষধি গুণের ফল। বহেড়ার আরেক নামে পরিচিত “বিভিতকি”। তবে আমাদের দেশে বহেড়া নামেই সব চেয়ে বেশি পরিচিত। ভেষজবিদদের মতে মহৌষধি হিসেবে পরিচিত ত্রিফলার মধ্যে বহেড়া অন্যতম।

বহেড়া ফলটি উপমহাদেশের প্রাচীনতম আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবে দীর্ঘ দিন থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে। বহেড়া বিশেষ ভাবে পরিশোধিত হয়ে এর ফল, বীজ ও বাকল মানুষের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ও চিকিৎসায় ব্যবহার হয়ে আসছে । ভেষজবিদরা বহেড়া নিয়ে দীর্ঘ গবেষণায় বিভিন্ন উপকারিতার কথা উল্লেখ করেছেন। বহুগুণে ভরা বহেড়া মানব দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অত্যান্ত কার্যকরী। এছাড়া বহেড়ায় রয়েছে অসংখ্য ঔষধি গুণ এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, আপনি যদি প্রতিদিন খালী পেটে বহেড়া ফল ভিজানো এক কাপ পানি পান করলে দীর্ঘজীবী ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়া যায়।

 

কথা না বড়িয়ে এবার জেনে নেয়া যাক বহেড়া ফলের ঔষধি গুণ –
১/ মানবদে মারাত্মক অস্বস্তিকর একটি রোগ হচ্ছে শ্বেতী রোগ। তবে সাধারণত এ রোগের তেমন কার্যকরী ওষুধ পাওয়া যায় না। এই রোগের জন্য বহেড়া বিচি শাঁসের তেল বের করে প্রতিদিন নিয়মিত শ্বেতীর উপর লাগালে শ্বেতী রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে এবং অল্প দিনেই মধ্যে গায়ের রঙ স্বাভাবিক হয়।
২/ রক্ত আমাশয় প্রতিদিন পানির সাথে বহেড়ার চূর্ণ মিশিয়ে পান করলে দ্রুত আমাশয় রোগ ভাল হয়।
৩/ অকালে চুল পেকে যাওয়া এটাও একটা রোগ। এর থেকে পরিত্রাণের জন্য বহেড়া ফলের বিচি বাদ দিয়ে শুধু খোসা নিয়ে পানি দিয়ে ভালো ভাবে মসৃণ করে পাটায় বাটুন, এবার বাটা মিশ্রণটি এক কাপ পানিতে মিশিয়ে সেই পানি ছেঁকে নিয়ে মাথার চুল ধুয়ে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করলে চুল পাকা বন্ধ হওয়া সহ আরও অনেক উপকার পাওয়া যায়।
৪/ কফের সমস্যায় আধা চা চামচ বহেড়া চূর্ণ ও পরিমাণ মতো ঘি এক সাথে গরম করে তার সাথে মধু মিশিয়ে খেলে দ্রুত কফের সমস্যা থেকে প্ররিত্রাণ মিলে
৫/ মাথায় টাক পড়লে বহেড়ার বিচির শাঁস অল্প পানি দিয়ে মিহি করে বেটে মাথার টাকে নিয়মিত লাগালেও মাথার টাক পড়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
৬/ শরীরের যে কোন স্থানে ফুলে গেলে বা ব্যথা হলে বহেড়ার ছাল বেটে একটু গরম করে নিয়ে ফুলো জায়গায় প্রলেপ দিলে ব্যথা ও ফোলা দ্রæত কমে যায়।

বহেড়া ও গাছ চেনার উপায় –
আমাদের দেশের বনাঞ্চল ও গ্রামেগঞ্জে এই গাছের দেখা যায় । বহেড়া গাছ সাধারণত ১৫-২৫ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। এর বাকল ধূসর ছাই রঙের হয়। পাতা দেখতে কাঁঠালের পাতার মতো মোটা, স্থান ভেদে ও জায়গার ধরন বুঝে এটা প্রায় ৫ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। এর ফুল ডিম্বাকৃতির হয়, প্রায় ১ ইঞ্চির মতো লম্বা হয়। কাঁচা পাকা বহেড়া ফলের রঙ সবুজ হয়। পেকে গেলে লাল রঙ হয়। শুকিয়ে গেলে ক্রমশ এর রং বাদামি রঙ হয়ে যায়। ফলের বাইরের আবরণ মসৃণ ও শক্ত এর ভেতরে একটি মাত্র শক্ত বীজ থাকে। ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের ভেতর এ ফলটি বেশি পেকে। সুত্র- যুগান্ত

 

আরোগ্য হোমিও হল এডমিন : এ ওয়েব সাইটের মুল উদ্দেশ্যে হচ্ছে স্বাস্থ্য সম্পের্ক কিছু দান করা বা তুলে ধরা। সাধার মনুষের উপকার হবে। বিশেষ করে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও ছাত্ররা উপকৃত হবেন। এ ওয়েব সাইটে থাকছে পুরুষ স্বাস্থ্য বা যৌনস্বাস্থ্য, গাইনি স্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য, মাদার টিংচার, সিরাপ, বম্বিনেশন ঔষধ, বাইকেমিক ঔষধ, হোমিওপ্যাথিক বই, ইউনানি, হামদর্দ, হারবাল, ভেজষ, স্বাস্থ্য কথা ইত্যাদি। এই ওয়েব সাইটটি কে কোন জেলা বা দেশ থেকে দেখছেন লাইক – কমেন্ট করে জানিয়ে দিন। যদি ভালো লাগে তবে শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের জানিয়ে দিন।


এ জাতীয় আরো খবর.......
Design & Developed BY FlameDev